Breaking News
Home / Breaking News / পশ্চিমবঙ্গের বিশিষ্ট কবি শ্যামল ব্যানার্জীর কবিতা

পশ্চিমবঙ্গের বিশিষ্ট কবি শ্যামল ব্যানার্জীর কবিতা

আমার শূন্যতায় মহাশূন্য ডুবে আছে,
আমার শূন্যতার গভীরে মহাকাশ ম্রিয়মাণ,
আমি হারিয়েছি তোমায় জনারণ্যে,
বিকল্প অন্ধকার নেমে আসে দিনের কার্ণিশে,
ছায়ানট ঘিরে শুনশান।
আমার স্মৃতিগুলো যেন অশরীরী,
প্রাচীন বটের ঝুরি হয়ে আষ্টেপৃষ্টে জড়ায়,
কোনো এক হেমন্তের সন্ধ্যায় খুঁজে ফিরি
শিশিরে ভেজা অরণ্যের ডাকে,
যেথা পদ চিহ্ন রেখেছো তোমার ঘাসের ডগায়।
হৃদয়ে রেখেছিলে প্রলয়ের এক বিক্ষুব্ধ অগ্নি বলয়,
বৈপরীত্যে..
অনিবার বর্ষনে ভিজিয়েছো আমায়।
সব বিষটুকু তুলে নিলে বিষে নীলকন্ঠ হবে বলে,
আমার বিগত যৌবনে এলে,
বিকেল বেলায় ভোরের ফুল যেন এক।
তবু্ও অস্পষ্ট এক ছায়া.. দূর নীহারিকা ছায়াপথে
কেউ কি আছো?
শুনতে পাচ্ছো কি আমার কথা,
কবরের হিম শীতলতায় ঘুম ভাঙো,
বৈধ্য মৈথুনে রাত্রি কাবার,
জানোনি কখনও,
জমাট অন্ধকার ঢুকেছে খিড়কি পার করে।
মানুষ যদি থাকো দরজা দাও খুলে ,
মোহানার তীরে জীর্ণ বসতি ভেঙ্গে
এসে দ্যাখো একবার,
ব্যার্থ প্রসবে লেগেছে আকাল…
মানুষের মুখ দেখিনা কোথাও।
শুধু বিচ্ছিন্ন মানুষের আর্ত কোলাহল, বৈকালিক বেতালের শবে।
রক্ত ললুপ নর পিশাচেরা ভীড় করে আছে
মোলায়েম হাসি নিয়ে,
হয় রোজ মোলাকাত দুর্বিনীত সাপের খোলোসে থাকা বহু মানুষের সাথে,
এই তো জীবন কালি দা।।
হবেই বা না কেন, মুর্খ করেছে বেদ অধ্যয়ন,
ব্যাখ্যা করেছে নিজের মতন করে,
ভোগ বাদী নিষ্ঠুরতায় মানুষকে করেছে বলি
হাড়িকাঠে লক্ষ কোটি মানুষের মাথা
ভেড়ার মতন সারিবদ্ধ চলে,
এ সম্মোহনী নেশা যাবে কি কোনোদিন,
নিস্ক্রিয় মগজ ছেড়ে স্বাধীনতার খোঁজে।।

error: Content is protected !!

Powered by themekiller.com