Breaking News
Home / Breaking News / যাত্রীবাহী যান পরিবহনের ভাড়া নির্ধারণে উপেক্ষিত যাত্রী স্বার্থ

যাত্রীবাহী যান পরিবহনের ভাড়া নির্ধারণে উপেক্ষিত যাত্রী স্বার্থ

অনলাইন নিউজঃ
কোনো ধরনের পূর্বঘোষণা ছাড়াই সরকার জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর পরপরই গণপরিবহণ মালিক-শ্রমিকদের অঘোষিত ধর্মঘটে পুরো দেশ অচল পড়েছিলো এবং গণপরিবহণ ও পণ্য পরিবহণের যাত্রীরা জিম্মি হয়েছিল। সে অচলাবস্থা কাটাতে তিন দিন পর বাংলাদেশ সড়ক পরিবহণ কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) ভাড়া নির্ধারণ কমিটির সভা বসে সরকারি প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে গণপরিবহণের ভাড়ার হার ও সর্বনিু ভাড়া নির্ধারণ ও পুনঃনির্ধারণ করতে। জিম্মিদশা চলাকালীন গণপরিবহণ মালিকদের কাছ থেকে নানারকম দাবি শোনা গেলেও ভাড়া বাড়ানোই ছিল মুখ্য। যদিও তারা এভাবে জনগণকে জিম্মি করে দাবি আদায়ের ঘটনা ইতিপূর্বে ঘটলেও এর জন্য তিরস্কৃত না হয়ে অনেকেরই পুরস্কৃত হওয়ার দৃষ্টান্ত আছে। ফলে এ রোগটি এখন আর গণপরিবহণে সীমাবদ্ধ নেই। সংক্রমিত হয়েছে অন্য ব্যবসা ও সেবার ক্ষেত্রেও। ভোক্তা ও গণপরিবহণ খাতের সংশ্লিষ্টদের মতে, বাসভাড়া নির্ধারণে ব্যয় বিশ্লেষণের মধ্যে শুভঙ্করের ফাঁকি আছে। জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির পরিপ্রেক্ষিতে বাসভাড়া বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এক্ষেত্রে বাস পরিচালনায় যাত্রীদের নয়, গণপরিবহণ মালিকদের স্বার্থকেই প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে। যানবাহনের ভাড়া নির্ধারণে বিআরটিএর চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে ব্যয় বিশ্লেষণ কমিটি আছে, যার ১৪ সদস্যের সাতজনই মালিক সমিতির নেতা। বিআরটিএর ভাড়া নির্ধারণ কমিটিতে ভোক্তাদের একজন প্রতিনিধি থাকলেও নৌপরিবহণ খাতে ভোক্তা প্রতিনিধি অন্তর্ভুক্ত হওয়ার সুযোগই রাখা হয়নি। ফলে নৌপরিবহণ খাতে ব্যবসায়ী ও বিআইডব্লিউটিএ মিলে ভাড়া নির্ধারণ করেন। বাকি সাতজনের ছয়জন সরকারি কর্মকর্তা এবং ভোক্তা প্রতিনিধি হিসাবে কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) একজন প্রতিনিধি থাকলেও মালিকরা সংখ্যাগরিষ্ঠ এবং তারাই সেখানে মুখ্য ভূমিকা পালন করেন। যাত্রীদের স্বার্থ সবসময়ই উপেক্ষিত থেকে যায়।

error: Content is protected !!

Powered by themekiller.com