Breaking News
Home / Breaking News / ভোলায় প্রশাসনের বাঁধার মুখে ফিরে গেলেন ৩ শতাধিক যাত্রী

ভোলায় প্রশাসনের বাঁধার মুখে ফিরে গেলেন ৩ শতাধিক যাত্রী

মো কামরুল হোসেন সুমন,ভোলা প্রতিনিধিঃ
ভোলার ইলিশা ফেরিঘাটে কর্মস্থলে ফেরা যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড়। দুর্ভোগ উপেক্ষা করে রোববার (২৫ জুলাই) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত যাত্রীদের ঘাটে অপেক্ষা করতে দেখা গেছে। তবে প্রশাসনের বাঁধার মুখে অনেকেই ফিরে গেছেন। করোনার ঝুঁকি নিয়ে ঘাটে এলেও শেষ পর্যন্ত তিন শতাধিক মানুষ গন্তব্যে যেতে না পেরে ফিরে গেছেন। তবে কেউ কেউ আবার বিকল্প ব্যবস্থায় গোপনে ঝুঁকি নিয়ে ট্রলারযোগে পাড়ি জমিয়েছেন। সকাল থেকে ঘাটে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, র‌্যাব, পুলিশ ও কোস্টগার্ড সদস্যদের কঠোর অবস্থান লক্ষ্য করা গেছে।
জানা গেছে, ঢাকা ও চট্টগ্রামসহ দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২১ জেলার যোগাযোগের সহজ মাধ্যম ভোলা-লক্ষ্মীপুর রুট। গন্তব্যে যেতে হলে তাদের ইলিশা ফেরিঘাট হয়ে যেতে হয়। এ নৌরুট দিয়েই যাত্রীরা বিভিন্ন জেলায় যাতায়াত করছেন। কঠোর লকডাউনের কারণে প্রশাসনের বাঁধার মুখে ঘাটেই অপেক্ষা করছেন যাত্রীরা।
স্থানীয়রা জানান, ঈদ উপলক্ষে ঘরমুখো লাখো মানুষ কর্মস্থলে যেতে ভিড় জমিয়েছেন ইলিশা ফেরিঘাটে। তাদের গন্তব্যে যেতে একমাত্র ভরসা ফেরি। কিন্তু জেলা প্রশাসনের কঠোর নজরদারিতে অনেকেই ফিরে যেতে বাধ্য হয়েছেন। অনেকেই আবার ঘণ্টার পর ঘণ্টা ফেরির জন্য অপেক্ষা করছেন।
ঘাটে অপেক্ষারত প্রবাসীদের জহিরুল ইসলাম জানান, সৌদি আরব যাবো, ২৮ তারিখে আমার ফ্লাইট। কিন্তু যেতে পারছিনা, পরিবার নিয়ে ঘাটেই বসে আছি। লালমোহন থেকে আসা যাত্রী রুবেল জানান, তার মা ঢাকায় অসুস্থ্য, জরুরি ভিত্তিতে তাকে ঢাকায় যেতে হবে, কিন্তু তিনিও যেতে পারেননি ঘাটে অপেক্ষায় আছেন।
গার্মেন্টসকর্মী মোঃ আরিফ বলেন, তিনদিন পর গার্মেন্টস খুলবে, তাই চট্টগ্রামে যেতে হবে, কিন্তু যেতে পারছিনা। সময় মত কাজে যেতে না পড়লে বিপদে পড়ে যাবো। তবে চেষ্টা করছি যেভাবে হোক গন্তব্যে যেতে।
জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আবু আব্দুল্লাহ খান জানান, জরুরি প্রয়োজন যাদের বিশেষ করে প্রবাসী, চিকিৎসা এবং জরুরি সেবা ব্যতিত কোনো মানুষকে ফেরিতে উঠতে দেওয়া হয়নি। এর বাইরে যারা ঘাটে এসেছেন তাদের ফিরিয়ে দেয়া হয়েছে।

error: Content is protected !!

Powered by themekiller.com