Breaking News
Home / Breaking News / চাঁদপুরে যাত্রীবাহী লঞ্চে নৌ পুলিশের অভিযান চায়না চাই উদ্ধার

চাঁদপুরে যাত্রীবাহী লঞ্চে নৌ পুলিশের অভিযান চায়না চাই উদ্ধার

বিশেষ প্রতিনিধিঃ
চাঁদপুরে যাত্রীবাহী জাহিদ ৮ লঞ্চে নৌ থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে এক বস্তা অবৈধ চায়না চাই জব্দ করে। সোমবার দুপুরে জব্দকৃত চাই গুলো জব্দ তালিকা উল্লেখ না করে নৌ থানার দুই পুলিশ কর্মকর্তা সেগুলো বিক্রি করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
ঢাকা থেকে জাহিদ ৮ লঞ্চটি রাত সাড়ে দশটায় চাঁদপুর লঞ্চ ঘাটে এসে যাত্রী উঠানামা করে। লঞ্চটি ছাড়ার ঠিক পাঁচ মিনিট পরে টিলাবাড়ির মাথায় মেঘনা নদীতে স্পিডবোট নিয়ে গতিরোধ করে।
এ সময় স্পিড বোর্ড এর সাথে সোর্স দেলুর স্টিল বডি টলারে নৌ থানার এসআই বজলুর রহমান ও এএসআই তোতা মিয়া সহ তিন পুলিশ লঞ্চে উঠে।
লঞ্চ থেকে এক বস্তা অবৈধ চায়না চাই নৌ পুলিশ জব্দ করে নিয়ে লঞ্চ সুপারভাইজার শাহ আলম ও কেরানি জহিরের স্বাক্ষর নেয়।
কিন্তু সেই জব্দকৃত চাইগুলো তারা স্পিড বোর্ডে উঠিয়ে রাতেই বাসগাড়ি চড়ে নিয়ে লুকিয়ে রাখে। পরদিন সোর্স দেলুর মাধ্যমে সেই অবৈধ চাই গুলো চরাঞ্চলে বিক্রি করে সেই টাকা নৌ পুলিশের দুই কর্মকর্তার ভাগবাটোয়ারা করে নেয়।
এ বিষয়ে জাহিদ ৮ লঞ্চের সুপারভাইজার শাহ আলম জানান, লঞ্চটি রাঙ্গাবালীর উদ্দেশ্যে রওনা হওয়ার পথে ঘাট থেকে ছাড়ার ৫ মিনিট পরেই নৌ-পুলিশের তিনজন সহ ২ সোর্স লঞ্চে উঠে। নৌ পুলিশ গলাচিপা থানার মহসিন নামের এক ব্যবসায়ী এক বস্তা অবৈধ চায়না চাই জব্দ করে টলারে উঠায়। এসময় তারা দুজনের স্বাক্ষর রেখে তড়িঘড়ি করে স্পিডবোট ও ট্রলার নিয়ে চলে যায়। নৌ পুলিশ প্রায় সময় এভাবে লঞ্চে অভিযান চালিয়ে কারেন্টজাল পলিথিন জব্দ করে।
এ বিষয়ে নৌ থানা ইনচার্জ ইন্সপেক্টর মুজাহিদুল ইসলাম জানান, রাতে লঞ্চে অভিযানের বিষয়টি আমার জানা নেই যা হয়েছে তা আমার চোখের অগোচরে হয়েছে। এ বিষয়ে লঞ্চ সুপারভাইজার ও স্পিডবোটের চালকের সাথে কথা বলেছি। যে পুলিশ এ ঘটনাটি ঘটিয়েছে তার বিষয়ে পুলিশ সুপারকে অবহিত করেন।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত পুলিশ কর্মকর্তা এসআই বজলু ও এসআই তোতা মিয়ার কাছে জানতে চাইলে তিনি ঘটনাটি অস্বীকার করেন ও কে বা কারা লঞ্চে অভিযান করেছে তা জানেন না বলে তিনি জানান।
এদিকে লঞ্চঘাটের বেশ কয়েকজন সুপারভাইজার অভিযোগ করে বলেন, রাতে নৌ থানা-পুলিশ বহিরাগত রুবেলের স্পিডবোট নিয়ে লঞ্চে অভিযান চালিয়ে কারেন্ট জাল পলিথিন জব্দ করে নিজেরাই সেই মাল আত্মসাৎ করে। এছাড়া তারা নদীতে কারেন্ট জালসহ নৌকা ধরে নদীর মাঝখানে এই টাকার বিনিময় রফাদফা করে তাদের ছেড়ে দেয়। এসকল অসাধু পুলিশ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত সাপেক্ষে প্রশাসনিকভাবে ব্যবস্থা গ্রহণ করার জোর দাবি জানান।

error: Content is protected !!

Powered by themekiller.com