Breaking News
Home / Breaking News / দুই বাংলার বৃহত্তম নেটওয়ার্ক দৈনিক শব্দনগরের সেরা চার সাহিত্য

দুই বাংলার বৃহত্তম নেটওয়ার্ক দৈনিক শব্দনগরের সেরা চার সাহিত্য

বিরহ সায়র

তারিখ : ১১/০৩/২০২২ ইং

———আরিফুজ্জামান মুঈন

মনের কাননে
ডাকিল ক্ষণেক্ষণে
প্রীতির কূজন ।

ফোটাতে কুসুম
এলো মধুকরী ;
এরপর চলে গেল
চিরতরে ভ্রমরী ;
হলোনা মধুর আলাপন ।

জনম জনম ধরে
খুঁজেছিনু যারে ,
তার সাথে যদি হতো বন্ধন ;

ফুটে মনের মুকুল
সবি হতো মঞ্জুল ;
থেমে যেত হৃদি ক্রন্দন ।

এ যে বিধাতার খেলা
কেউ থাকে ভুখা , কেউ পড়ে মালা
কারোবা জোটেনা শ্মশানে চন্দন ।

যোগীন্দ্র কাঁদে হৃদ কৈলাসে
ফিরে এসো উমা , হে প্রিয়তমা
যাও আর একটু ভালোবেসে ;
আবার দেখিতে চাহে মন ।

আবার আসো ফিরে দনুজদলনী
কৈলাসনাথ কাঁদে সারাটি রজনী ;
ভুলে যাও সব মান অভিমান ;
হোক বন্ধন আগের মতন ।

——————————————–
#বলেছিলে_
___ডিএস মজুমদার

নির্ঘুম নিকষকালো কক্ষ
হতে বেড়িয়ে এলাম
একাকিত্বের যন্ত্রণায় আবিষ্ট,
জ্যোৎস্নায় উঠোন আলোকিত
আর অবগাহন করা মাত্র তোমার
আবছায়া হাতের স্পর্শে নিঃসঙ্গতার
বেড়াজাল ছিন্ন-ভিন্ন করে দিলে,
এগিয়ে এলে আলিঙ্গনাবদ্ধ হলে
বললে “আমি এখনও জেগে
তুমি তবে একা নও গো প্রিয়ে”।
কিন্তু তোমায় খুঁজেই পাচ্ছিলাম না
কোথায় হারিয়ে গেলে!
শুরু হলো সেই স্মৃতির খেলা
মনের আঙ্গিনাতে, বলেছিলে
যাবে না কখনো একা করে।
একাকিত্বের জ্বালা তুমি জানতে
তাই আমায় কখনও একা হতে
দাওনি সর্বদা থাকো বুকে জড়িয়ে।

আঁধারে পাঞ্জেরী_

——————————————–

কবিতাঃ “কিছু সুখও অমলিন হয়”
কলমেঃ এম. আর হারুন
১১/০৩/২০২২

পৃথিবীর নিয়মটা বুজি বহির্ভুত নিয়ম
অনেক সময় চোখের জলও সুখের হয়ে থাকে
থাকে হাসির আড়ালে অযাচিত বেদনা,
জীবনের সুখস্মৃতি মেনে নিতে নিতে
একদিন জীবনের কাছেই হেরে যাই।

এক পা দু’ পা করে হাটতে শিখলাম
স্কুল কলেজ পার করে চাকুরী নিলাম
কিন্তু বিভিষিকা আমাকে বারংবার তাঁড়া করে,
অতীতকে সামনে টেনে আনে
মনের ভিতরে তৈরী করে কুন্ডলী
আমি যে অযাচিত হয়ে পড়ি।

ভালোবাসতে শিখলাম এক অপ্সরীকে
ভালোও বাসলাম মন প্রান দিয়ে
শপথ করে নিলাম দুজনে এক সাথে বাঁচবো,
কিন্তু আমি যে নগণ্য মাতাল নষ্ট প্রেমিক
তাঁর ছেঁড়ে যেতে দিনক্ষন লাগেনি
এক মুহুর্তে একা হয়ে গেলাম।

এলোমেলো চুল গোঁফ দেখে পাগল বলতো
বিড়ির সুখটানে যক্ষার কাশিতে দম ফুরাতে
লাগলো ধুলো মাখা দেহখানির উপরে,
মানুষ কি তা আমি চিনতে পারছি না
অথচো আমিও মানুষ ছিলাম
ভালোলাগার আবির্ভাব যনো আমায় তাঁড়া করে
আমি কয়েকদিনেই অমানিশা বনে যাই
হায়রে আমার প্রেম, অবিশ্বাসের কষাঘাতে
ধরলে আরেকটা হাত।

মৃত্যু সংকটাপন্ন রাস্তার পাশে আশ্রয়
না আছে ঝড় বৃষ্টি প্রচন্ড তান্ডব
না আছে ভ্যাপসা গরমের খরতাপ,
আমি কি শুধুই মানুষ ছিলাম নাকি?
আমার দিবানিশির বাসনা গুলো মরে
উড়াল দিলো নিরুদ্দেশের ঠিকানায়
এখন আমার দোষ প্রতি মুহুর্তে মুহুর্তে
আর তুমি নব জাগরনে বিশালতার সুখে
নিজেকে বিলিয়ে দিলে সুখের সন্ধানে।

——————————————–

আমার লুপ্ত চোখে🌼

গৌরব নাথ

প্রজ্ঞাচক্ষু আলতো প্রয়াসে খুঁটে খুঁটে বের করল,
আমার মধ্যে থাকা স্বত্বাস্বত্ব;
যেখানে বিলুপ্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে ভালোবাসে
কিছু দুষ্টুমি, কিছু কৃপণ ইচ্ছে
আরো কিছু একটা…!

তবে তার স্বন পাশের কানেও অপূর্ণ
কিবা শূন্য!
উপলব্ধির মাচায় তাকে আমি ধরে রাখি
বসন্ত কিবা শীতে ভাঙা কন্ঠের খানিকটা নীচে
বাঁ পাশে।

সে অতটা চটপটে নয় বটে….
নিশ্চুপ হয়ে কলজে জড়িয়ে
জানালার পাশে বসে ছিঁড়ে ফেলা পাতা গুনতে থাকে।

তবে ‘মাঝে মাঝে তার দেখা পাই’
কুহুমন্দ্রের বেলা ফুড়ালে বলে ‘আমি চলে যাই’!
যাইই!
শেষ হয় উলম্ব বাড়তে থাকা তিতিক্ষা
আবার আরম্ভের জন্য,…‌ নিরন্তর।

আবার কাজ শুরু হয় অন্তরের অন্যত্র
শ্রীজাতের লেখায় শেষ হয় চোরাবালির মোহ।
অবসরে যাওয়া এক জন্মের এলো মৃত্য‌!
সুখবর….
আরেহ্! আসবে আবার!
নদী পেরোলেই আবার নতুন তট দেখবে
ঘুরে ফিরে শেষ সকলের বর্তমানের শেষে।

আমিও বলি কয়েক পা সময় এগিয়ে
‘একদম জং ধরা মেশিন শক্তপোক্ত হয়ে এলো যে’;

আর বিকেলে আলোয়ান মুড়ে বসে থাকা আমি
কান্ডারি দৃড় রেখে নিভৃতে বলি ঐ অন্তরের দলিলকে
চল আবার ঘেঁটে দেখি…
উইপোকা ছুঁলো না তো!
ঘুমিয়ে যাওয়া রাতের বন্ধ কিছু আশা
সাথে থাকা প্রতিলিপি।

——————————————–

error: Content is protected !!

Powered by themekiller.com