Home / Breaking News / মেঘনা পদ্মায় নির্বিচারে বিভিন্ন প্রজাতির পোনা নিধনের মহোৎসব

মেঘনা পদ্মায় নির্বিচারে বিভিন্ন প্রজাতির পোনা নিধনের মহোৎসব

এম. আর হারুনঃ
মৎস্য বিভাগের উদাসীনতায় চাঁদপুরের মেঘনায় অবাদে মশারী জাল ব্যবহার করছে এক শ্রনীর অসাধু জেলে সম্প্রদায়। এতে ইলিশের পোনাসহ বিভিন্ন প্রজাতির পোনা নিধন করা হচ্ছে। এর ফলে ভরা মৌসুমে বিভিন্ন প্রজাতির মাছের তীব্র সংকটের আশংকা রয়েছে। প্রতি বছর মাঘ ও ফাল্গুন মাসে চাঁদপুর সদর উপজেলার পুরানবাজার হরিসভা এলাকায় এক শ্রেনীর দাদনদাররা বিভিন্ন অঞ্চল থেকে মশারী জাল ব্যবহারকারী জেলেদের এনে গভীর রাতে বিভিন্ন প্রজাতির মাছ নিধন করে মেঘনার পাড়ে আড়তে তুলে দেয়। এসব মাছ শহর ছাড়াও ব্যারল ও বরফযোগে বিভিন্ন জেলা উপজেলায় পাচার করা হয়। কিন্তু মৎস্য বিভাগ এর প্রতিরোধ ব্যবস্থা গ্রহন করছে না। চলতি মৌসুমে চাঁদপুরের মেঘনা ও শরীয়তপুরের পদ্মার ৬০ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে মশারী জাল ব্যবহার করা হচ্ছে। মতলবের ষাটনল থেকে হাইমচরের চরভৈরবী ইউনিয়নের মেঘনায় নির্বিচারে বিভিন্ন প্রজাতির পোনা নিধনের মহোৎসবে দাদনদাররা। চাঁদপুরের মৌসুমী দাদনদাররা নারায়নগঞ্জ থেকে জেলেদের বিশাল অংকের দাদন দিয়ে ২ মাস গভীর রাতে মশারী জাল দিয়ে বিভিন্ন প্রজাতির পোনা নিধন করে আড়তে তুলে আনে। চলতি পোনা বিচরনকারী মৌসুমে শতাধিক নৌকা মেঘনার পাড়ে অবস্থান করতে দেখা গেছে। প্রতিদিন সন্ধারাতে একদল জেলে পোনা নিধন কাজে ব্যস্ত রয়েছে, আরেকদল জেলে ভোর রাতে পোনা নিধন করে হরিসভার মেঘনার পার এসে দাদনদারদের হাতে তুলে দেয়। ভোর বেলায় বিভিন্ন অঞ্চল থেকে ব্যবাসায়ীরা এসে নিধনকৃত পোনা ক্রয় করে নিয়ে যেতে দেখা গেছে। মুলতঃ চাঁদপুরে প্রতি বছর মাঘ ও ফাল্গুন মাসে পুরানবাজার হরিসভার মেঘনার পাড়ে পোনা ক্রয় বিক্রয়ের ভ্রাম্যমান আড়ত গড়ে ওঠে। কিন্তু এসব আড়ত গুলোর বিরুদ্ধে মৎস্য বিভাগ কিংবা আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হচ্ছে না বলে সচেতন মহলের অভিযোগ রয়েছে। তাই সংশ্লিষ্ট বিভাগের প্রতি চাঁদপুরবাসীর আহবান মেঘনায় বিভিন্ন প্রজাতির পোনা নিধনকারী ও দাদনদারদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহন করা প্রয়োজন।

error: Content is protected !!

Powered by themekiller.com